Monday, July 24, 2017

728x90

'মিনি কক্সবাজার' মৈনট ঘাট ক্রমেই ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠছে

ঢাকার অদূরে দোহারের মৈনট ঘাট। এরই মাঝে যেটি পরিচিতি পেয়েছে মিনি কক্সবাজার হিসেবে, হয়ে উঠেছে ঘোরাঘুরির নতুন একটি গন্তব্য। কিন্তু খরস্রোতা পদ্মার ক্রমাগত ভাঙন আর দর্শনার্থীদের অসতর্কতা ঝুকিতে ফেলছে নদীতে নামা দর্শনার্থীদের। গত নয় মাসে যেখানে ঝড়ে গেছে নয়টি প্রাণ। কর্তৃপক্ষ বলছে চেষ্টা সত্বেও, কমানো যাচ্ছে না জীবন ঝুঁকি। আর বিশেষজ্ঞদের মতে, পদ্মার ভাঙন ঠেকানো গেলেই মিলতে পারে এর সমাধান।

দিগন্তবিস্তৃত জলরাশি, ছোট-বড় ঢেউ,সাথে মৃদুমন্দ বাতাস। দেখে খটকা লাগতেই পারে কোনো সাগরপাড়ের দৃশ্য কিনা। ঢাকার অদূরে দোহারের মৈনটঘাটে এমন রূপেই ধরা দেয় খরস্রোতা পদ্মা। নদীর এপারে দোহার, ওপারে ফরিদপুর। আর এ দুই জায়গার মানুষের যোগাযোগ ঘটত, এ মৈনটঘাটেই। তবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের কল্যাণে, সম্প্রতি জায়গাটি পরিচিতি পেয়েছে ট্যুরিস্ট স্পট হিসেবে। হয়ে উঠেছে রাজধানীসহ আশপাশের মানুষের অবসরের কেন্দ্র। 

কিন্তু ভাঙন আর দর্শনার্থীদের অসেচেতনতায় ক্রমেই ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠছে পদ্মাপাড়ের এ জায়গাটি। গত বছরের সেপ্টেম্বর থেকে, এ বছরের জুন-মাত্র ৯ মাসে মৈনট ঘাটে পানিতে নেমে মারা গেছেন অন্তত ৯ জন শিক্ষার্থী, যাদের তিনজনই মারা যান সদ্য শেষ হওয়া ঈদের পরদিন। 

দর্শনার্থীরা বলছেন, পরিকল্পিত উন্নয়ন ঘটাতে পারলে, মৈনট ঘাট হয়ে উঠতে পারে সব বয়সী পর্যটকের পছন্দের গন্তব্য। তবে বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, নদীশাসন করে স্থানটিকে নিরাপদ করা কাজটি বেশ জটিল। তাই বিকল্প উপায়ে পর্যটন কেন্দ্র গড়ে তোলার পরামর্শ তাদের। 

ব্যস্ত নগরজীবন থেকে দুদণ্ড স্বস্তির এই মৈনট ঘাট আর যেন না হয়, কারো প্রিয়জন হারানোর কারণ, এমনটাই প্রত্যাশা সবার। বিশ্বের খরস্রোতা নদীগুলোর মধ্যে অন্যতম এই পদ্মা। এই নদীকে কেন্দ্র করে কোন পর্যটন গড়ে তুলতে প্রয়োজন বিশেষ সতর্কতা ও পরিকল্পনা। আর তা করা গেলে এখানকার পর্যটন সম্ভাবনাকে কাজে লাগানো গেলে, তা রাজস্ব আয়ে নতুন একটি খাত যেমন হতে পারে, সেই সাথে ইতিবাচক পবিবর্তন আনতে পারে স্থানীয় অর্থনীতিতে।






Last modified on 07-07-2017 12:49:18 PM

চ্যানেল 24

387 South, Tejgaon I/A
Dhaka-1208, Bangladesh
Email: info@channel24bd.tv
Newsroom: newsroom@channel24bd.tv
Tel: +8802 550 29724
Fax: +8802 550 19709

Save

Like us on Facebook
Satellite Parameters
Webmail

Save

Save

Save

Save

Save

Save

Save

Save

Save

Save

Save

Save

Save