Sunday, September 24, 2017

শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে প্রয়োজন নাগরিক সচেতনতা  

রাজপথ থেকে অলিগলি কোথায় নেই শব্দদূষণ। নানাভাবে নানা কারণে সৃষ্টি হচ্ছে এ দূষণ।

যদিও শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বেশ কটি আইন। কিন্তু নানা সীমাবদ্ধতায় বাস্তবায়ন করা যাচ্ছে না বলে দাবি নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থাগুলোর। এমন পরিস্থিতিতে স্বাস্থ্য ঝুঁকির কথা বিবেচনা করে আইন কঠোরভাবে প্রয়োগের পরামর্শ পরিবেশবিদদের। গাড়ি চলছে না থেমে আছে, তাতে কিছুই যায় আসে না। অনবরত বাজছে হর্ন। প্রয়োজনে অপ্রয়োজেন হর্ন বাজানো, এখন যেন গাড়ি চালকদের অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। দূরপাল্লা কিংবা অভ্যন্তরীণ বাস, ট্রাক, মোটরসাইকেল কোথায় নেই এই যন্ত্রণার হর্ন?

শুধু যানবাহনই শব্দদূষণ করছে, তা নয়। স্থাপনা কাজের যন্ত্রপাতি, মেরামত দোকান অথবা শিল্প কারখানা। সবজায়গায় নীতিমালার তোয়াক্তা না করেই সৃষ্টি করা হচ্ছে মাত্রাতিরিক্ত শব্দ। শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে আছে বেশ কয়েকটি আইন ও নীতি। স্থানভেদে নির্ধারিত আছে শব্দের সর্বোচ্চ মাত্রা। আছে শাস্তির ব্যবস্থা। কারখানা ও শিল্পপ্রতিষ্ঠানের শ্রমিকদের স্বাস্থ্য সুরক্ষার কথাও বলা আছে শ্রম আইনে। কিন্তু এসব নীতিমালা বাস্তবে কতটা কাজ করছে ???

আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলো বলছে, নানা সীমাবদ্ধতার পরও অবস্থার উন্নয়নে কাজ করছে তারা। কিন্তু নাগরিকরা সচেতন না হলে শব্দদূষণ বন্ধ করা সম্ভব নয়। সব বয়সের মানুষই শব্দ দূষণের শিকার। তবে শিশুদের ওপর এর প্রভাব সবচেয়ে বেশি। তাই আগামী প্রজন্মের সুরক্ষায়, একটি কঠোর আইন ও তার প্রয়োগ অত্যন্ত জরুরি।

চ্যানেল 24

387 South, Tejgaon I/A
Dhaka-1208, Bangladesh
Email: newsroom@channel24bd.tv
Tel: +8802 550 29724
Fax: +8802 550 19709

Save

Save

Like us on Facebook
Satellite Parameters
Webmail

Save

Save

Save

Save

Save

Save

Save

Save

Save

Save

Save

Save

Save