সিরিয়ায় সরকারি বাহিনীর স্থাপনায় ক্ষেপণাস্ত্র ও বিমান হামলা

রাসায়নিক হামলার অভিযোগে সিরিয়ার সরকারি বাহিনীর স্থাপনায় দফায় দফায় ক্ষেপণাস্ত্র আর বিমান হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স আর ব্রিটেন। 

তবে বেশিরভাগ হামলাই প্রতিহত করার দাবি করেছে রাশিয়া। ঘটনার পর দামেস্কের রাজপথে নেমে এসেছেন হাজারো জনতা। তবে এই হামলার পরিণতি ভোগের হুমকি দিয়েছে সিরিয়ার মিত্র দেশ রাশিয়া আর ইরান।অবশেষে হুমকীকেই সত্য করে তুললো যুক্তরাষ্ট্র ও মিত্ররা। রাসায়নিক হামলার ধোয়া তুলে সিরিয়ায় যৌথ সামরিক হামলা চালালো যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স আর যুক্তরাজ্য। একে সমর্থন দিয়েছে অস্ট্রেলিয়াও। পার্লামেন্টে ভোটের তোয়াক্কা না করেই হামলার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বৃটিশ প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে। হামলার পক্ষে সাফাই দিয়েছেন তিনি। তবে এর সমালোচনা করেছেন বিরোধি নেতা জেরেমি করবিন। সিরিয়া পরিস্থিতিতে অন্য পদক্ষেপ নেয়া দরকার ছিলো। কিন্তু ক্ষেপনাস্ত্র হামলা ছাড়া উপায় ছিলো না আমাদের। বৃটিশদের জাতীয় স্বার্থে এই হামলা চালানো হয়েছে। 

এদিকে রাশিয়া বলেছে, মার্কিন মিত্রদের ছোড়া ১০৩টি ক্ষেপনাস্ত্রের মধ্যে ৭১টি ধ্বংস করতে সক্ষম হয়েছে  সিরিয় সামরিক বাহিনী। এই হামলা প্রমাণ করলো যে, সংকটের শান্তিপূর্ণ সমাধান চায় না যুক্তরাষ্ট্র। বরং মধ্যপ্রাচ্যে অস্থিতিশীলতা তৈরি করতে চায় তারা। তবে এর মাধ্যমে সিরিয় সামরিক বাহিনীর শক্তি সম্পর্কে ধারণা হলো তাদের। এই হামলাকে অপরাধ উল্লেখ করে এর প্রতিবাদ জানিয়েছেন ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতোল্লাহ আলি খোমেনি। আর হামলাকে যুদ্ধের শামিল বলে আক্ষায়িত করেছেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। এছাড়াও যুক্তরাষ্ট্রকে এই হামলার ভায়াবহ পরিনাম ভোগ করতে হবে বলে হুশিয়ার করেছে মস্কো-তেহরান।

 

 

Last modified on 14-04-2018 09:14:22 PM

চ্যানেল 24

387 South, Tejgaon I/A
Dhaka-1208, Bangladesh
Email: newsroom@channel24bd.tv
Tel: +8802 550 29724
Fax: +8802 550 19709

Save

Save

Like us on Facebook
Satellite Parameters
Webmail

Save

Save

Save

Save

Save

Save

Save

Save

Save

Save

Save

Save

Save