ইরান-ইরাক ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৫৪০, আহত ৮ হাজারের বেশি

শক্তিশালী ভূমিকম্পে ইরান ও ইরাকে নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫৪০ জনে। আহত হয়েছেন ৮ হাজারের বেশি মানুষ। ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হয়েছে, ১২ হাজার। উদ্ধার কাজে যোগ দিয়েছেন সাধারণ মানুষও। নিহতদের স্মরণে দেশটিতে পালিত হচ্ছে, একদিনের রাষ্ট্রীয় শোক। ক্ষতিগ্রস্ত কেরমানশাহ প্রদেশ পরিদর্শনে গেছেন, ইরানের প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানি।

 

ইরানের কেরমানশাহ প্রদেশ...যতদূর চোখ যায় দেখা মিলবে শুধুই ধ্বংসস্তুপের। সাত দশমিক তিন মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পে দেশটির পশ্চিমাঞ্চলের বেশিরভাগ এলাকার দৃশ্য এমনই। ভূমিকম্পের একদিন পেরিয়ে গেলোও এখনো ধ্বংসস্তুপের নিচ থেকে বেরিয়ে আসছে একের পর এক লাশ। উদ্ধারকর্মীদের সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে উদ্ধারকাজ চালিয়ে যাচ্ছেন সাধারণ মানুষও। আর বসতবাড়ি হারিয়ে খোলা আকাশের নিচে রাত কাটাচ্ছেন হাজার হাজার মানুষ। 

প্রকৃতির নিষ্ঠুর এ খেলায় ছেলে, বউ আর নাতিকে হারিয়েছি। আরেকজনের অবস্থাও আশঙ্কাজনক। প্রথমে খুব হালকা ঝাকুনি ছিল। কিছুক্ষনের মধ্যেই দ্বিতীয় ঝাকুনিতে সব এলোমেলো হয়ে যায়। আমার ভাই ধ্বংসস্তুপের নিচে চাপা পড়ে। এক ঘন্টা পর তাকে উদ্ধার করা হয়। কিন্তু ততক্ষণে সবশেষ হয়ে গেছে।ভূমিকম্পে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্থ কুর্দি শহর শারপোল-ই-জাহাবের প্রধান হাসপাতাল প্রায় ধ্বংস হয়ে গেছে। তাই আহতদের চিকিৎসায় হিমশিম খাচ্ছে কর্তৃপক্ষ। বাধ্য হয়ে খোলা আকাশের নিচেই চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে আহতদের। 

ইরাকের দারবান্দিকানেও চলছে উদ্ধারকাজ। ক্ষতিগ্রস্থ এলাকা পরিদর্শন করেছেন স্বায়ত্বশাসিত অঞ্চলটির প্রধানমন্ত্রী নেচিরভানসহ সরকারি কর্মকর্তারা। এছাড়া কেরমানশাহ পরিদর্শন করেছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট হাসার রুহানি। আশ্বাস দিয়েছেন ক্ষতিগ্রস্থদের পাশে থাকার। 

শক্তিশালী ভূমিকম্পে নিহতদের স্মরণে ইরানজুড়ে একদিনের আর মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্থ কেরমানশাহে চলছে তিনদিনের রাষ্ট্রীয় শোক। ক্ষতিগ্রস্থদের সহায়তায় ত্রান সহায়তা পাঠিয়েছে তুরস্ক। শোক জানিয়েছে রাশিয়া, সিরিয়া, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্যসহ বিভিন্ন দেশ।

রোববার রাতে ৭.৩ মাত্রার ভূমিকম্পে কেঁপে ওঠে, ইরাক-ইরান সীমান্ত। 

 

চ্যানেল 24

387 South, Tejgaon I/A
Dhaka-1208, Bangladesh
Email: newsroom@channel24bd.tv
Tel: +8802 550 29724
Fax: +8802 550 19709

Save

Save

Like us on Facebook
Satellite Parameters
Webmail

Save

Save

Save

Save

Save

Save

Save

Save

Save

Save

Save

Save

Save