Friday, December 15, 2017

মুক্তিযুদ্ধের অনেক সফল অপারেশনের সাক্ষী সেক্টর নম্বর ৩

২৫ মার্চের কালরাতের পর প্রতিরোধ গড়ে তুলে বীর বাঙালি। যুদ্ধের কৌশল হিসেবে পুরো দেশকে ভাগ করা হয় ১১টি সেক্টরে। এরই একটি ৩ নম্বর সেক্টর। দশটি সাবসেক্টর নিয়ে গঠিত এই সেক্টরে গড়ে তোলা হয়, ১৯টি গেরিলা ঘাঁটি। সফলতার সাথে গুরুত্বপূর্ণ অনেক অপারেশন সম্পন্ন করেন এসব ঘাঁটির গেরিলা যোদ্ধারা। আজ থাকছে মুক্তিযুদ্ধের ৩ নম্বর সেক্টরের কথা।

মুক্তিযুদ্ধের অনেক সফল অপারেশনের সাক্ষী সেক্টর নম্বর ৩  শুধু মোস্তফা কামালই নন, নাম না জানা আরও অনেক বীর মুক্তিযোদ্ধার রক্তের বিনিময়ে এসেছে স্বাধীনতা।

১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে পাকবাহিনীর হত্যাযজ্ঞের পর সোচ্চার হয়ে উঠে বাংলার মুক্তিকামী মানুষ। শুরু হয় প্রতিরোধ।

সংগঠিত যুদ্ধের কৌশল হিসেবে গোটা দেশকে ভাগ করা হয় ১১টি সেক্টরে।

সিলেট জেলার তৎকালীন হবিগঞ্জ মহকুমা, কিশোরগঞ্জ মহকুমা, আখাউড়া-ভৈরব রেললাইন থেকে উত্তর-পূর্ব দিক ও ঢাকা জেলার অংশ বিশেষ নিয়ে গঠিত হয় তিন নম্বর সেক্টর। প্রথমে এই সেক্টরের দায়িত্বে ছিলেন মেজর কে এম শফিউল্লাহ; পরে দায়িত্ব পান মেজর এ এন এম নুরুজ্জামান।

তিন নম্বর সেক্টরের অধীনে ছিলো দশটি সাব সেক্টর। এর আওতায় গড়ে উঠে ১৯টি গেরিলা ঘাঁটি।

প্রায় ৩০ হাজার গেরিলা যোদ্ধা কুমিল্লা-সিলেট সড়কে বেশ কয়েকটি সেতু বিধ্বস্ত করে বিচ্ছিন্ন করে দেন পাক বাহিনীর যোগাযোগ।  

৪৬ বছর পেরিয়ে গেলেও যুদ্ধের স্মৃতি এখনও তরতাজা মুক্তিযোদ্ধাদের মানসপটে।

তবে, বর্তমান প্রজন্ম কতটা জানে নিজ এলাকায় হয়ে যাওয়া যুদ্ধ সম্পর্কে?

ত্রিশ লাখ শহীদের রক্তে অর্জিত স্বাধীনতার চেতনা নতুন প্রজন্মের মাঝে ছড়িয়ে দিতে বিশেষ উদ্যোগ নেয়ার পরামর্শ মুক্তিযোদ্ধাদের।                                            

Last modified on 07-12-2017 01:10:14 PM

চ্যানেল 24

387 South, Tejgaon I/A
Dhaka-1208, Bangladesh
Email: newsroom@channel24bd.tv
Tel: +8802 550 29724
Fax: +8802 550 19709

Save

Save

Like us on Facebook
Satellite Parameters
Webmail

Save

Save

Save

Save

Save

Save

Save

Save

Save

Save

Save

Save

Save